আমার নাম সুজন ( ছদ্ম নাম )। গ্রামের সাধারণত ঘরের এক ছেলে আমি। ১ ভাই ৪ বোন বাবা মা নিয়েই আমাদের মধ্যেবিত্ব পরিবার ( নাম উল্লেখ করবো না বলেছি তাই বড়। মেঝু। সেঝু ও ছোট বলেই উল্লেখ করবো ) আমার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর কালিতলা ( বাড়ির নাম বললাম না ) । ভাই-বোন এর মধ্যে আমি ২য়। বড় ১ বোন আর আমার পরে বাকি ৩ বোন। আমারা ভাই-বোনরা নিজেরা অনেক খোলামেলা এবং এতে বাবা-মা এর কোনো সমস্যা ছিলো না।সুধু মাএ ঘরের সিমানাই যেনো এটার পরিধি। আগেই বলে রাখি আমি মাধ্যমিক পরিক্ষা দেয়ার আগেই আমার ২ বোন এর বিয়ে হয়ে যায়।

আমি সদ্য উচ্চ মাধ্যমিক পরিক্ষা দিয়েছিলাম কিন্তু ফলাফল ভালো ছিলো না। তাই সিদ্ধান্ত নেই পড়াশোনা আর করবো না ঢাকা গিয়ে চাকরি করবো। আমার পরিবারের সবাইকে জানানোর পরে আমাকে ২টা মাস অপেক্ষা করে তারপর যেতে অনুমতি দেয়।কারন আমার ৩য় নং বোন এর বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। দেখতে-দেখতে হলুদ এর দিন চলে আসে। আমি আমার বন্ধুদের সাথে মজা করছি রাএ প্রায় ৯ টা হবে হঠাৎ তখনি আমার সবার ছোট বোন আমাকে ডেকে বলে ( আমার ছোট বোনের সাথে আমার সম্পর্ক অনেক খোলামেলা। সহজ ও চমৎকার এবং সে এখন ক্লাস ৯ এ পড়ছে )

বোন : ভাইয়া একটু শুনবি
আমি : বল
বোন : একটু ছোট ঘরে আয়
আমি : কেন। কি হইছে
বোন : খুব সমস্যা। আয় না
আমি : চল বলেই ছোট ঘরে গিয়ে বাতি জ্বালাই।

তখন আমারি ছোট বোন আমার সামনে দাড়িয়ে আমাকে দেখিয়ে বলে

বোন : ভাইয়া আমার ব্লাউজ এর ভেতরের হুকটা খুলে গেছে একটু লাগিয়ে দিবি ( ব্রা-র হুক )
আমি  : সাধারণ ভাবেই বলি অন্য কোনো মেয়ে মানুষ নাই নাকি
বোন : ভাইয়া সবাই কাজ করছে। কাকে বলবো তাই তোকে বলা
আমি  : আচ্ছা দে।

বলে আমি ব্লাউজ এর ভেতরে হাত গলিয়ে ওর ব্রা-র হুক ধরতেই যাবো একটা তেলাপোকা আমার ছোট বোন এর ওপর উরে এসে পরে আর ওমনি ও সরে যেতেই ওর ব্লাউজটা পুরোটা ছিরে ওর পিঠ-টা উন্মুক্ত হয়ে আমার সামনে দারায়। আমার ছোট বোনকে বহু বার দেখেছি কিন্তু এ যেনো আমার কাছে এক অন্যরকম করেই দেখা। একটা বিশাল চওড়া টকটকে ফর্সা পিট। ভয়ে যখন আমার মুখোমুখি ঘুরতেই ওর-ওর বুক গুলো ব্রা-র হুক না লাগানোর জন্যে ওর হাতে ঢেকে থাকার পরে বাকি অংশ কি এক অসাধারণ সুন্দর আর উঁচু হয়ে আছে। একটু বুকের নিপিলের খয়রি আভা যেনো আমার চোখকে অন্য দিকে ফিরতেই দিচ্ছে না। তখন আমি যেনো এক অন্য নারীকেই দেখছি কামনার দৃষ্টিতে । হুট করেই বোন আমাকে একটু ছুয়ে দিয়ে বলে

বোন  : কিরে ভাইয়া কি দেখতেছিস
আমি  : কৈ কি না
বোন  : শোন সুন্দর কে সুন্দর বলার সাহস রাখতে হয়। সেটা যেমনি পরিস্থিতি হউক ( হাসি দিয়ে )।
আমি  : আমতা-আমতা করে আরো ২/ ৩ বার ওর বুকের দিকে তাকিয়ে বললাম। তারপর বললাম তুই তো অনেক সুন্দরী আর বড় হইছিস।
বোন : ভালো করে কি দেখছিস কখনো ( একটু যেনো অভিযোগ নিয়েই বললো)।
আমি  : যা তুই এখন। কতো-কতো কাজ পরে আছে।
বোন  : ঐ ব্লাউজ টা দে আর ব্রা-র হুক-টা লাগা মধ্যের-টায়।

বিয়ে বাড়ি। বাড়ি শুদ্ধ অনেক মানুষ। কে কোথায় শুবে কে যানে। আমি হাফ ছারলাম কারন আমার রুমটা একেবারেই ছোট্ট ১ জন শুতে পারে তাই আমার রুমে মা কাওকে দেয়নি বলে। আমি সব কাজ শেষে আমার রুমে গিয়ে কাপড় খুলে লুঙ্গিটা পরে শুতে যাবো ওমনি অনুভব করি আমার বিছানায় কেও আছে। আমি বাতি জ্বালাতে গিয়ে দেখি কারেন্ট নাই। ভাবলাম হয়তো বোনজামাই বা কোনো কাজিন। তাই চুপ করে একপাশ হয়ে শুয়ে পরি এবং চোখটা কেমন যেনো তন্দ্রায় বন্ধ হয়ে গেলো।

হঠাৎ আমার রানে কেমন যেনো এক নরম নগ্ন উস্নতা অনুভব করি। আমি ঐপাশ ঘুরতেই আমার হাত গিয়ে এক অদ্ভুত গোল মশ্রিন চমৎকার সজিব কোমল নরম মাংস পিন্ড ছুয়ে যায়। আমি যেনো শিহরণ অনুভব করি সাথে অন্যরকম এক অনুভূতি। অনেক সাহস নিয়ে অন্ধকারের মাঝে আবার হাত বারিয়ে দেই। আর আমার হাতে মুঠোতে সেই মাংসপিণ্ড টা যেনো পুরোটা ঠাই পাচ্ছে না। আমি যেনো কোথায় হারিয়ে গেলাম সহসায়। কোনো ভাবনাচিন্তা ছারাই কি এক অদৃশ্য আগ্রহে আমার হাতের মুষ্টি ঐ মাংসপিণ্ডটাকে চাপ দিতেই আমার পুরো শরীর জুরে অন্য এক সুখ অনুভব করি।

আমি যানি না কোনটা সঠিক আর বেঠিক কিন্তু সেই মুহুর্তে আমি হিতাহিতজ্ঞান শূন্য হয়ে আমার হাত বারিয়ে দেই। আমি অনুভব করতে পারি একটা গেঞ্জি। ধিরে ধিরে গেঞ্জির ভেতরে হাত গলিয়ে আমি যেনো এক এভারেস্ট জয় করে ফেললাম। আমি ধিরে ধিরে চাপ দিতে থাকি আর এতে যেনো আমার আগ্রহ ও সাহস দুই বারতে থাকে তাই চাপের গতিও বারাতে থাকি। কিভাবে যেনো আমার অন্য হাত-টা নিচের দিকে চলে যেতে লাগলো।

আমি নিজেকে বাধা না দিয়ে উৎসাহ দিতে লাগলাম। আমর হাত গিয়ে একটা ইলাস্টিকে গিয়ে থামলো। আমি সেই বাধা উপেক্ষা করে হাতের আঙুল গুলোকে ইলাস্টিক এর ভেতরে গলিয়ে দিতেই কি যেনো এক অদ্ভুত কিছু আবিষ্কার করলাম। হাতে লাগলো খোচাখোচা লোম। থামলাম না। একটু নামতেই এক জোড়া ঠোটের মতো নরম কিছু-র মাঝ গলিয়ে নামতেই একটু পিচ্ছিল কিছু অনুভব করি। আমি যেনো উন্মাদ হয়ে গেলাম। তখন আমার ভয়। লজ্জা। বিবেক কোনোকিছুই যেনো কাজ করছিলো না।

আমি সেই পিচ্ছিল জায়গায় আঙুল গুলোকে বুলাতেই যেনো আঠালো আরো পিচ্ছিল কিছু আঙুল ভরে গেলো। আর ঐদিকে আমার টুনটুনি যেনো তাবু টানিয়ে ছিরে যাবার পালা। আমি এদিকওদিক সাতপাঁচ না ভেবেই গেঞ্জি উঠাতে-উঠাতে ঐ উচু মাংস পিন্ডির ওপর পর্যন্ত আনলাম। আর নিচের ইলাস্টিক টা ধরে টান দিতেই পায়জামা-ই হবে তা নিচে চলে গেলো।

আমি হাত গলিয়ে এক পা থেকে পায়জামাটা খুলে নিলাম। কোনো বাধা-ও পাচ্ছিলাম না। আর তাই আমি একটু উচু হয়ে আমার মুখ নিয়ে বুকে মুখ গুজে কিছু একটা খুজতেই বুটু-টা আমার ঠোটে মাঝে পেয়ে গেলাম। তখন আমাকে পায়-কে। আমি একটা বুক চুসতে চুসতে অন্যটা চাপতে লাগলাম। সেই মুহুর্তে কেমন যেনো একটা গোঙানির শব্দ একটু কানে এলো।

কিন্তু আমি আমার কর্ম চালিয়ে যেতে লাগলাম। অন্য হাত দিয়ে পা-টা ধরে একটু সরিয়ে আমার হাত নিয়ে ঐ পিচ্ছিল যায়গাটার ওপর দু-ইটা আংগুল দিয়ে ঘষতে শুরু করলাম। এতে করে পিচ্ছিল যায়গাটা যেনো আরো পিচ্ছিল হতে থাকলো সাথে বুটু-টা ঠোটের মধ্যে চুষতে-চুষতে আমি যেনো দিশেহারা হয়ে যাচ্ছিলাম। তখনো মৃদু গোংগানি শব্দ আমার কানে লাগছিলো। কিন্তু আমি একবার এই বুটু ছেরে ঐ আর ঐটা ছেরে এই টা চুঘছিলাম আর আংগুল দিয়ে নিচে ডলতে-ডলতে দুই-টা আংগুল পিচ্ছিলর কারনে কোনো এক গর্তে ঢুকে গেলো। ভেতরে প্রচন্ড গরম তাপ আমার আংগুলে লাগতে আমি আংগুল দিয়ে তখন গুতো দিতে শুরু করলাম।

সাথে আমার এক-পা দিয়ে নিচের দু-ই পা ফাকা করে ওপরে উঠে মাঝে গিয়ে বসলাম আর আমার টুনটুনিটা-কে পিচ্ছিল যায়গাটায় নিয়ে একটু ঘষতেই যেনো সে তার গন্তব্য যেনো নিজেই খুজে নিয়ে একটু খোচা দিলো। আমি অনুভব করলাম আমার খোচা খাওয়ার সাথে সাথেই আমার টুনটুনির মাথাটা যেনো এক চমৎকার জেল লেগে গিয়ে চুম্বক এর মতো টানছে একটা নিদিষ্ট জায়গায়। আমি নিজেকে না থামিয়ে ধিরে-ধিরে ধাক্কা দিতেই মনে হলো একটা গর্ত-টা অপেক্ষাই করছিলো আমাকে স্বাগত জানানো জন্যে। গর্তের ভেতরটা অনেক গরম সাথে একরকম জেল যেনো আমার পুরো টুনটুনিটাকে ভিজিয়ে চুবুচুবু করে দিলো।

আমার পিঠে দু-টা হাতের চাপ অনুভব করি নিচের দিকে। আমি যেনো কোনো এক অন্য জগৎ জয় করে ফেলেছি। আমি ধাক্কা দিতেই আমার টুনটুনিটা পুরোটা ঢুকে গেলো। আমি তখন নিজের নিয়ন্ত্রণে নাই বললেই চলে। আমার কোমর আপনা-আপনিই ওপর-নিচ করে গর্তে টুনটুনিটা গুতাগুতি করছে। আর তার গতি ক্রমশই বেরে যাচ্ছে। আমি এক হাত দিয়ে তার বুক-টা কে চাপছিলাম আর বুটু-টা খুজে ঠোটের মাঝে নিয়ে চুষতেছিলাম।

আমার কানে তখন গোংগানি-টা চাপা কন্ঠে আসতে লাগলো আর মনে হচ্ছিল এই কন্ঠ আমি বেশ ভালো চিনি কিন্তু তখন ঐগুলাতে মননিবেশ না করে টুনটুনির গতি বারাতেই যেনো আমি চাচ্ছিলাম। তাই আমার পা ভাজ করে বসে তার একটা পা আমার কাধে নিয়ে তাকে একটু কাৎ করে হয়তো ৪-৫ টা ধাক্কা দিয়েছি ( প্রতিটা ধাক্কার সময় সে আমার হাতের ওপর হাত রেখে খামছে ধরে ছিলো ) তখনি হঠাৎ কারেন্ট চলে আসে। আমি যে বাতি জ্বালানোর জন্যে সুইস অন করে রাখছিলাম তা আর মনে নাই।

কারেন্ট চলে আসায় আমি এতো সময় ধরে আমার রতি-লিলার সঙ্গীনির চোখাচোখি হতেই দুজনেই হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে। এতো আর কেও না এ যে আমার নিজেরি বড় বোন। আমি ধরপর করে উঠতে যাবো তখনি আমার বড় বোন আমাকে জাপটে ধরে এক-টানে আমার কান তার মুখের সামনে নিয়ে খুব ধীরে বললো।। খবরদার এখন উঠবি না সুজন। আমি এখন বড্ড খুদার্থ। আমার সব আছে কিন্তু কোনো মানুষিক আর শারীরিক সুখ নাই কয়েক বছর। তুই যখন আমার দুধে হাত রাখলি

আমি তখনি বুঝতে পারছি এটা তুই তাও চুপ করে ছিলাম তোর ছোয়া পাওয়া মাএই আমার গুদে পানি চলে আসলো বলে। তাই সব কিছুর হিতাহিত বোধগম্য হারায়া ফেলছি। এবং তোর হাতে নিজেকে ভোগ করবার জন্যই আমি তৈরি করে মেনে নিছি।বিশ্বাস কর ভাই তোর দুলাভাই এর আজ প্রায় ৪-বছর আমাকে একটু সুখও দেয় নাই যেটা তোর সোনার প্রথম স্পর্শ আমার ভোদায় লাগা মাএই আমাকে সব কিছু বিচার করতে বারন করে তোর সাথে চোদাচুদি করতে অনুমতি দিয়েছে। আমাকে চোদ ভাই আমাকে চুদে একটু সুখ দে। আমি যে অসহায় হয়ে গেছি ভাই। আমারে ফিরিয়ে দিস না।।। কথা গুলো বলতে বলতেই বড় আপা কেদে দিলেন। তখন আমি আপার চোখের পানি মুছে দিতে দিতে আমার টুনটুনিটা-কে একটু জোরেই জাতা দিয়ে আপার ভোদায় ভরে দিয়ে বললাম

আমি : আপা এজন্যেই কি তুই সবসময় মনমরা হয়ে থাকতি।
আপা : বললো হ্যা রে। ভাই এখন কথা বলেই কি সময় নষ্ট করবি নাকি আমারে চুদে একটু সুখ দিবি।

আমি কথা না বারিয়ে বাতি বন্ধ করে দিলাম আর বড় আপার শরীর থেকে সব কাপড় খুলে নিলাম। সাথে প্রায় ২ ঘন্টা চোদাচুদি করলাম। আমার ২ বার হইলো। আর বড় আপার প্রায় ৫ বার। এই সময় কালে আমি বড় আপার ভোদা চেটে-চুঘে। পাচা চেটে। দুধ গুলোক-কে মৃদু কামড়ে লাল করে দেয়া ছারাও আমার টুনটুনি বড় আপার ভোদা ভিজে প্রতিটা ধাক্কা এক চমৎকার শব্দে আমার ঘরটা ভরে যাচ্ছিলো। আর বড় আপার কথায় আমার টুনটুনির সব রস আপার ভোদার ভেতরেই ফেলতে বললেন এবং আমিও তাই করলাম। দ্বিতীয় বার আমার রস বড় আপা তার মুখে নিয়ে গিলে নিলো। আর আমাকে বললো এখন থেকে যখন সময় পাবো আমি যেনো আপাকে চুদে-চুদে পোয়াতি করে দেই। আমার সৃতি থাকবে ওর জীবন জুরে। আর বিয়ের অনুষ্ঠানের ফাকে আপা যখনি আমাকে ডাকবে আমি যেনো আপাকে বারন না করি। আমি বড় আপার কথায় সম্মতি দিয়ে তারপর আমরা কাপড় পরে আপাকে ঘরে রেখে আমি পাসের বাসার এক কাজিন এর সাথে ঘুমুতে গেলাম।

আমাদের বাড়িতে অনুষ্ঠান চললো ৩-দিন। সবাই চলে গেলেও বড় আপা পরের ৮-দিন থাকলো সাথে ছোট্ট ভাগ্নে-টাকে নিয়ে। দুলাভাই-কে মা বললো সুজন সাথে করে পৌঁছে দিয়ে আসবে চিন্তা কইরো না। দুলাভাই-ও রাজি হয়ে চলে গেলো। আর ঐ ৮-দিন বড় আপার সাথে কম করে হলেও ৪০-বার চোদাচুদি করেছি। একদিন-তো সারা রাএে ৬-বার করেছি। হুম অনেক ভালোও লেগেছিল। বিয়ে বাড়ির সব কাজ শেষ তারপর বড় আপা-কেও দিয়ে আসলাম প্রায় ৩ মাস। বড় আপার বাসা থেকে খবর এলো আপা প্রেগন্যান্ট। তার ১ দিন পরেই আমি ভয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দিয়ে দেই কাওকে কিছু না বলেই।

 

ঢাকায় এর আগে কখনোই আসা হয় নি আমার। তবে আমার গ্রামের এক বন্ধু সাভার হেমায়েতপুর এ একটা গার্মেন্টস এ কাজ করে। তাই ওর সাথে যোগাযোগ করে আমি ওর কাছেই উঠলাম তবে ওকে বললাম আমি যে এখেনে তা যেনো ও কারো কাছে কিছু না বলে। কিছু দিন যেতে না যেতেই আমার হাত খালি হতে লাগলো বলে আমার বন্ধু-কে বললাম কাজ ঠিক করে দিতে। ও অন্য এক কারখানায় কথা বলে আমাকে টাইমকিপার পোস্টে চাকরি ঠিক করে দিলো। দেখতে দেখতে ৮ মাস পার হয়ে গেলো। আমিও ভালোই আছি। অফিসে একটা মেয়ে-কে আমার খুব ভালো লাগে। নাম সখী ( ছদ্ম নাম )  কিন্তু বলতে পারি না। কেনো যেনো এক অযানা ভয় কাজ করে । অফিস থেকে বার্ষিক বনভোজনের জন্যে আমাদের নিয়ে যাবে শুনছি নন্দন পার্কে। ভাবলাম তাকে তখনি প্রস্তাব দিবো প্রেম করার ।

ঐ দিন খুব সকালে সবাই চলে আসলো। সখী-ও আসলো কিন্তু ওর সাথে ১১-১২ বছরের ১টা মেয়ে। আমি সরাসরি গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম এই মেয়ে কে সখী। সে সাবলীল ভাবে বললো আমার মেয়ে। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম তুমি বিবাহিতা। সখী হাসি মাখা মুখে বললো বিয়ে না হলে মেয়ে কোথাথেকে এলো। আমি বড্ড কষ্ট পাই। গাড়িতে চুপ করে এক কনে বসে আছি। আমার যেনো সব আনন্দই মাটি হয়ে গেলো। নন্দনে গিয়ে একা একা বসে আছি এক কনে। এমন সময় সখীর এক বান্ধবী এসে আমাকে বললো সুজন ভাই সখীর ডিভোর্স হইছে ৯ বছর আগে। আপনার কিন্তু চান্স আছে। আমি যেনো খুশিও হলাম আবার দু:খও পাইলাম।

খুশির কারন হচ্ছে আমি চেষ্টা করলে হয়তো তাকে আমার করে পাবো। আর দু:খ লাগলো এমন মিষ্টি একটা মেয়ের সাথে কেনো এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলো ভেবেই। প্রায় ৯-১০ দিন পর ওর বান্ধবীকে দিয়ে সখীকে প্রেমের প্রস্তাব দিলাম তার ২ দিন পর জবাব এলো। প্রেম নয় যদি বিয়ে করতে রাজি থাকি তাহলে সখীর বাসায় কথা বলতে । আমি যেনো সব ভুলে রাজি হয়ে গেলাম। সখীর বাবা নেই। বৃদ্ধা মা আর মেয়ে নিয়েই তার জীবন ।

আমি সখীর মা কে বললাম আমার পরিবারের সাথে রাগারাগি করে আমি একা হয়ে গেছি। সখীর মা আমার আচরণ বা কি ভেবেই রাজি হয়ে গেলো। আমরা বিয়ে করে ফেলি । ভালোই চলছে আমাদের সংসার। আমরা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টা করতেই জানতে পারি সখীর ডিম্বাশ্বু-তে টিউমার। ও মা হতে গেলে অনেক সমস্যা। তাই আগামী ৩ বছর ডাক্তার বাচ্চা নিতে বারন করলেন সাথে শারীরিক সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বন করতে বললেন কঠিন করে ।

এর পর থেকেই সখী কেমন যেনো অন্য মনস্ক হয়ে থাকতো। আমাদের যৌন জীবন অনেক সুন্দর ছিলো কিন্তু ডাক্তার এর কথা শোনার পর থেকে ওর সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক ঠিক মতো হতোই না। আমিও কেমন যেনো বিষন্নতায় ভুগতে লাগলাম। তারও ১ বছর পর আমরা আবার ডক্টর এর কাছে যাই সব টেস্ট করবার পর ডক্টর আমাদের বলে সখী মা হতে পারবে না আর কখনো কারন ঔষধ এর কারনে ওর ডিম্বাশ্বুর টিউমার-তো ঠিক হচ্ছে কিন্তু ক্ষতে জন্যে। কিন্তু স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কে ফিরতে আরো বছর ৩-৪ লাগবে তার পর সমস্যা হবে না । আমি ভেবে ও মেনে নেই হয়তো আমার বাবা ডাক শোনা আর কখনো সম্ভব না ।

আমি সখী-কে বোঝানোর চেষ্টায় নিজেকে নিয়োজিত করি এবং তাকে বলি কে বলছে আমাদের বাচ্চা নাই এই যে ঈসা ( ছদ্ম নাম ) সখীর আগের ঘরের মেয়ে। এখন মাএ ৩য় শ্রেনীতে পড়ছে। আমি তাকে এমনিতেও পছন্দ করি কিন্তু তখন সখীকে একটু বেশি খুশি করবার জন্যে বলে ফেলি ওই তো আমাদের। কিন্তু সুখী কোনো ভাবেই যে স্বাভাবিক হচ্ছে না সেটা আমি বেশ বুঝতে পারছি। এদিকে আমাদের আগে সপ্তাহে ৪-৫ দিন শারীরিক সম্পর্ক হলেও এখন ১ বার হয় কিন্তু তাতেও ওর আগ্রহ তেমন নাই। আমি যেনো এক বিষন্নতার গহীনে তলিয়ে যাচ্ছি একটু-একটু করে । আজ অফিস ছুটি।

আগে ছুটির দিনে আমরা সবাই ঘুরতে যেতাম নানান জায়গায় কিন্তু বছরখানেক আর যাওয়া হয় না। আমি বিছানায় শুয়ে আছি। সখী এসে আমায় বললো ও-নাকি অফিস থেকে ৩ দিন এর ছুটি নিয়েছে ওর মা-কে নিয়ে গ্রামে যাবে ছোট খালার বাসায়। খালা বড্ড অসুস্থ তাই।কিন্তু ঈসা-কে নিতে পারবে না কারন টিউটোরিয়াল পরিক্ষা আর ২ দিন পর থেকে শুরু। তাই আমি আর ঈসা বাসায় থাকবো। একটু কষ্ট করে যেনো বাহির থেকে এই ৩ দিন খাবার কিনে খাই আমরা। আমি আপওি করলাম না বরংচ গাবতলি কাউন্টার থেকে বরিশাল-এর টিকিট কেটে গাড়িতে উঠিয়ে দিয়ে আমি আর ঈসা রওনা দিলাম বাসার উদ্দেশ্য ।

তখন ঈসা বললো ওকে কিছু সময়ের জন্যে নদীর পাশে নিয়ে যেতে। আমি নিয়েও গেলাম তুরাগ তীরে । প্রায় দুপুর হবে-হবে আমি ঈসা কে বললাম এবার চলো বাসায় যাই তবে যাওয়ার আগে আমরা কোনো রেস্তোরাঁয় বসে খাবার খেয়ে যাবো।ও খুশি হলো । আমরা খাবার শেষ করে বাসে উঠবো কিন্তু প্রচন্ড ভির। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও কুলকিনারা করতে না পেরে কোনো মতে একটা বাসে উঠি প্রচুর ভির এর মধ্যে। এমন অবস্থা যে পা ফেলার জায়গায় পাওয়াও মুস্কিল। কি করার তাও তো যেতেই হবে ।

বাসের ঝাকুনিতে একটু পর-পরি আমি অনুভব করি আমার আঙুল গুলো ঈসার তল-পেটের নিচে কাপড়ের ভেতর থেকেই খোচাখোচা লোম কিন্তু একটু শক্ত প্রকৃতির আমার আঙুল গুলোকে শুচের মতো লাগছে। নিজেকে তিরস্কার দিয়ে ঈসা কে ভিরের থেকে সামলে আকরে স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করতেই আমার আঙুল গিয়ে লাগলো ঈসার পাছার দাপনার খাজে। ও একটু বলি ঈসার বয়স অনুপাতে ওর গায়ের সব কিছুই যেনো একটু বেশি ও বড় ( যদিও আমার দেখতে বেশ ভালো-ও লাগে ) আমার হাত সরাতেই এমন এক ব্রেক মারলো বাস আর ধাক্কা আসলো অন্য পেসেন্জারদের থেকে নিজেকে সামলাতে গিয়ে আমার একটা হাত ঈসার তল পেটের একটু নিচে একটু খামছি আকারেই ধরতে হলো। ঈসা ব্যাথ্যাও পায় কিন্তু আমি জিজ্ঞেস করাতে আমাকে বলে বাসায় গিয়ে দেখাবে কি হয়েছে। হয়তো ছিলে গেছে। জ্বলতেছে ওর ।

আমি ভয়ে চুপ করে দারাই আর ঈসা ভির সামলাতে আমাকে ঝাপটে ধরে দারায়। তখন আমি অনুভব করি ঈসার একটা হাত আমার পেন্টের চেইনের ওপর মুষ্টি করে আর অন্য হাতটা আমার কোমরে ধরে ওর বুক ( ৩২ এর বড় কাপ ) গুলো আমার তল পেটে চট্কে দাড়িয়ে। আমার টুনটুনি নিজের অজান্তেই শক্ত হইতে শুরু করে। আমি যেনো ভিষণ লজ্জা পেতে থাকি। এমন করেই পৌঁছে যাই আমাদের গন্তব্যে। বাসায় পৌছে স্বাভাবিক সব কিছু কাজ শেষ করে।
আমি : ঈসাকে জিজ্ঞেস করি তখন-কি খুব ব্যথ্যা পেয়েছো। কোনো ক্ষত হইছে কি।
ঈসা : হুম ব্যথ্যা তো পাইছিই। তুমি এমন করে খামছে দিলা। দেখো বলেই গেন্জিটা ওপর মুখি ধরে টাইল্স-টা ( ওর টাইল্স-টা নিচের দিকে নামালো ভোদার চেরার মাথা ওবদি। মশ্রিন বালে ভরা ) নিচে নিতে কোনো ক্ষত দেখতে না পেয়ে বললো ব্যথ্যা পাইছি বুঝছো।
আমি : দু:খিত। ইচ্ছে করে দেই নিতো তা তুমিও যনো।

গল্পে-গল্পে রাতের খাবার খাইয়া ঈসা পড়তে বসে। আমি হঠাৎ করেই ঘুমিয়ে পড়ি। কখন যে ঈসা বাতি বন্ধ না করে আমার পাসে এসে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ছে আমি বলতে পারবো না। আমি তাকিয়ে যেনো চক্ষু কপালে। আমি দেখি ঈসা যে হাতা কাটা গেঞ্জি পরেছে তা তার বুক এর না-না-না ওর দুধ হুম দুধ বলাই উচিৎ এর দুধের ওপর বাদামি বুটু জোরা দার করিয়ে আর টাইল্স পাল্টে হাল্ফ পেন্টে পরছে তাও সাদা তার ওপর দিয়েই কুচকুচে কালো বাল গুলো সহ ওর কচি ভোদা-টার আবরন দেখা যাচ্ছে ইস্পস্ট। কি অদ্ভুত সুন্দর না-না-না- ভয়ংকর অদ্ভুত সুন্দর দেখতে। আমি সব অন্যায়। অপরাধবোধ। বিচারবিবেচনা ভুলে আমার হাত বারিয়ে দিয়ে ওর দুধ গুলোকে চাপতে লাগলাম দুটোই।

কিছু সময় পরে আমার ঠোট গিয়ে ওর বাদামি বুটু-টায় চুষতে শুরু করে দেই। আর একটা হাত ওর হাল্ফপেন্টর ওপর থেকেই গুদের ওপর সুরসুরির মতো ডলতে শুরু করে দেই।  আমি সিমানা লঙ্ঘন করে ওর হাল্ফপেন্ট এর ভেতরে হাত ঢুকিয়ে আঙুল দিয়ে ঈসার ভোদার পাপড়ির মাঝে অংগুলি করতে থাকি। আমার আঙুলের ছোয়া পেয়ে যেনো আঠালো তরল কাম রস আসতে লাগলো ভোূা জুরে। ঈসা একটু-আধটু নরেছিলো কিন্তু কাম রস আসতেই ও-যেনো নিজেই দুই পা মেলে দিলো আমারি জন্যে।

আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে না পেরে ঈসার হাল্ফপেন্ট-টা পুরোটাই খুলে ঈসার ভোদা-টা উন্মুক্ত করে গেঞ্জি-টাও খুলে ঈশা-কে পুরো লেংটা করে বেশ কিছু সময় দেখতে লাগলাম লালসা নিয়ে। ইচ্ছে হচ্ছিল পাগলের মতো চুদে-চুদে ওর কচি ভোদা-টায় আমার রস দিয়ে ভরিয়ে দেই। আমি অপলক দৃষ্টিতে দেখতে লাগি। কিছু সময় পর নিজেকে সব কিছুর উর্ধে। একপাশে রেখে। কোনো নারীর জীবনের প্রথম পুরুষ হওয়ার যৌন আকাঙ্খায় আমায় ঈসাকে চোদার জন্যে নিজেকে নিয়োজিত করি।

আমি ঈসার ভোদা অন্তত ৩০ মিনিট চুষেছি। এই ৩০ মিনিট এর মধ্যে ঈসা ২ বার কচি ভোদার টাক্টা রসে আমার মুখ আঠালো করে দেয়। আমি ঈসার দুধ চেপে চেটে আমিই যেনো পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম। আমার আঙুল ঈসার ভোদার ভেতরে দেই এই ভেবে আমার টুনটুনি ঢুকবে কি-না কিন্তু যে পরিমাণ পিচ্ছিল আমার আঙুল দেয়া মাএই পুরো আঙুল টা যেনো ঈসার ভোদার ভেতরে হারায়া গেলে। তখন আমি উওেজনায় থরথর করে কাপছি কিন্তু ঈসা কে চোদার আগ্রহ যেনো আমার সব কিছুকে জয় করে আমি আমার টুনটুনি-টা বের করে যখন ঈসার ভোদায় ঘোসতে লাগলাম আমার টুনটুনি তার আকারের থেকে মোটা-আর বড় হয়ে গেছে আমার মনে হচ্ছিল ( যানি এটা ভুল  ) ঘোসতে-ঘোসতে আলতো চাপ দেই ঈসার কচি ভোদার গর্তে তখনি টুনটুনির মন্ড পুছুত করে ঢুকে যায়।

ঈসা একটু নড়া দিয়ে দেখলাম দুই পা আরো মেলে দিলো। যেনো আমাকে নিমন্ত্রণ দিচ্ছে কখন আমি ঈসার ভোদা-টা চুদে-চুদে আমার ফেদা দিয় ভরে দিবো। আমি একটা বালিশ ঈসার কোমোরের নিচে দেবার জন্যে যেই ওকে একটু উচু করার চেষ্টা করলাম ওমনি ও নিজ থেকে কোমরটা উঁচু করে দিলো। আমার বুঝতে বাকি রইলো না ঈসা ঘুমায় নি। আমি বালিশ টা নিচে দিয়ে আমার টুনটুনিটা-কে তেল মাখালাম সাথে ঈসার ভোদায়-ও তেল দিয়ে নিলাম তারপর আস্তে ধিরে একটু-একটু করে চাপ দিতে-দিতেই ভোদায় পুরে দেই আমার টুনটুনি-টা ।

ওমনি ঈসা চোখ মেলে আমার দিকে তাকিয়ে আমাকে সুধু বললো তুমি আম্মু-কে যেমন করে আদর করো ঠিক তেমনি করবা তা-না হলে আর কখনো তোমার সাথে কথা বলবো না এবং আমি হারায়া যাবো । আমি ওকে বিছানা থেকে উঠিয়ে আমার কোলে বসাইলাম তখনি আমার টুনটুনি-টা পুরোপুরি ঈসার ভোদার গর্তের শেষে গিয়ে ঠেকে গেলে আর ও একটু ব্যথ্যা পেয়েও আমার ঠোটে ঠোট গুজে আমাকে কামড় বসায় দিলো কিন্তু শব্দ করলো না। এই দেখে আমি ঈসা-কে আস্বস করলাম ওকে ওর আম্মুর থেকে-ও বেশি আদার করবো যদি একটু ব্যথ্যা সয্য করতে পারে এবং এই ব্যথ্যা অল্প সময় থাকবে ।

ঈসা রাজি হয়ে গেলে আর আমাকে বললো। আমার দুধ গুলো এতো ছোট আমার ভালো লাগে না। পাছাটাও ছোট সেটাও দেখতে ভালো লাগে না। তাই তুমি আম্মু-কে আদর করার সময় যেমন শব্দ করে করতে তেমন শব্দ-ও হওয়া চাই বাকি গুলোর সাথে কেমন। ঈসা ওর একটা দুধ আমার মুখে পুরে দিতেই আমি পাগলের মতো চেটে-চুঘে দিতে লাগলাম অন্যটা টিপতে। আর ও কোলে বাসার কারনে চোদার গতি এমনিতেই বেরে যাচ্ছিলো।

এমন চাটাচাটি-চুষাচুষি করতে করতে আমরা ২ বার চোদাচুদি করি তারপর ওরে বুকের ওপর নিয়েই ঘুমেয়ে পরি লেংটা হয়েই ।😋 সকালে আমি অফিস গিয়ে ২ দিনের ছুটি নিয়ে বাসায় চলে আসি। বাসায় পৌচাইয়া দেখি ঈসা স্কুল থেকে বাসায় এসে গোসলে যাবে। আমি ওকে বললাম আমি করিয়ে দেই। ও শর্ত দিয়ে বললো গোসলখানায়ও ওকে আদর করতে হবে। আমি রাজি হয়ে ওকে নিয়ে গোসলে গেলাম এবং গতরাতের থেকে বেশি মজা করে চুদলাম। ঈসা একটু অভিমান করলো আমার রস কেনো ওর ভেতরে ফেললাম না বলে। তবে ক্ষনিকেই ঠিক হয়ে গেলো। রাতে আমরা আরো ২ বার উদ্দাম চোদাচুদি করলাম। ঈসা যেনো আমার চোদা খাওয়ার জন্যে বেকুল হয়ে আছে কখন আরো ১ বার করবো কিন্তু ও হুট করেই ঘুমিয়ে গেলো। পরের দিন ঈসার পরিক্ষা ছিলো।

পরিক্ষা শেষে বাসায় ঢুকেই গত ২দিনের বানানো ডবকা দুধ আর পাছা দুলিয়ে আমাকে চোদাচুদির আমন্ত্রণ জানালো।আমিও উন্মাদ এর মতো ওকে পেয়ে চুদতে থাকি। আমার যেনো মন ভরছে না। কোথাও একটা কিছুর অভাব অনুভব করছি। সেদিন আমরা ৫ বার চোদাচুদি করে রাতে নগ্ন হয়ে ঘুমিয়ে পরি। সকালে সখী নিজের চাবি দিয়ে দরজা খুলে ঘরে ডুকে দেখে আমরা দুজনেই নগ্ন হয়ে ঘুমাচ্ছি। আমার টুনটুনির রস ঈসার ভোদার। বুকের।ঠোঁটের ওপর পরে শুকিয়ে আছে। সখী আমাদের কাওকেই ডাক না দিয়ে ঘরের অন্যান কাজ সারে। আমার কোনো এক শব্দে ঘুম ভাংলে আমি দেখতে পাই সখী সাবলীল।

একটু অবাক হয়ে কিছু ভয় নিয়ে সখীর সামনে যাই। সখী মিষ্টি হেসে আমাকে বললো তা কেমন কাটলো তোমাদের এই-ক-দিন। আমি লজ্জিত ও ভয় নিয়ে সখীর কাছে ক্ষমা চাইতে যাবো তখন সখী আমাকে অবাক করে বললো ছি মাফ চাইও না। আমি জেনে-বুঝেই এটা তৈরি করেছি। আসলে আমি চাইছি তুমি আমি ও আমাদের ঈসা একসাথে থাকি। আর বছর খানেক পর ওর যদি বিয়ে করবার ইচ্ছা না থাকে তাহলে আমি চাই তুমি ঈসার গর্ভে আমাদের জন্যে একটা বাবু নেও । আমি তো পুরোটাই অবাক।

সখী আর আমি কথা বলতে বলতে ঈসা কখন যে নগ্ন ভাবেই আমার পেছনে দারায়া আছে আমি দেখতে পাইনি। ঈসা আমাকে পেছন থেকে ঐ অবস্থাই এসে জরিয়ে ধরে বলে উঠে আম্মু তোমার সুজন কে রেখে আমি কোথাও যাবো না। সখী একটু মুচকি হেসে ঈসা কে বলে তাহলেতো মামুনি আমার বর-এর সাথে আমাকে সাথে নিয়ে একি বিছানায় চোদাচুদি করতে হবে।। ঈসা বলে উঠে। আম্মু এটা তো আরো মজার। আমি তুমি আর আমাদের সুজন ।

তখনি সখী নিজের কাপড় খুলে নগ্ন হয়ে দুজন আমার সামনে এসে দাড়িয়ে জিজ্ঞেস করতে লাগলো। কিগো আমাদের সুজন আমাদের মা-মেয়ে কে তোমার চোদার দাসি বানাবা। বিনিময়ে সুধু আমাদের ছাদ হয়ে সারাজীবন পাশে থাকবা এটাই চাওয়া । আমি দুজন কে কাছে টেনে নিয়ে চুমু খেয়ে কথা দিলাম । এখন আমাদের ঈসার বয়স ২৮। আমরা একসাথে একটা ছাদের নিচেই কাটাই এবং প্রতি রাতে ৩/৪ বার করে একসাথে চোদাচুদি করি সবার চক্ষু আরালে। আমাদের ১ টা মেয়ে আর ১ টা ছেলেও আছে ঈসার গর্ভের ।
আমার সখীর দুধের সাইজ ৪০
কোমর ৪৬
আমার ঈসার দুধের সাইজ ৩৮
কোমর ৪৪
বন্ধুরা আমরা অনেক সুখে আছি ।।